Thursday

চ্যানেল আই ও ‘সুরের ধারা’র আয়োজনে চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণ

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল- চ্যানেল আই এবং প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার যৌথ আয়োজনে আগামীকাল শুক্রবার চৈত্রসংক্রান্তির মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে বিদায় এবং শনিবার ১লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষকে বরণ করা হবে হাজার কণ্ঠে কোটি বাঙালির গান, আবেগ আর ঐতিহ্যকে নিয়ে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে শুক্রবার সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে বর্ষকে বিদায় জানাবার জন্য চৈত্রসংক্রান্তির ঝলমলে অনুষ্ঠান। চলবে ভোর পর্যন্ত। ভোর ৬টায় একই স্থান থেকে বরণ করা হবে বাংলা নববর্ষকে। ব্যাপক এই আয়োজনে চ্যানেল আই ও সুরের ধারার সঙ্গে থাকবেন বাংলাদেশের সংগীতের কিংবদন্তি তারকা সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লায়লা, সৈয়দ আবদুল হাদী, ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, আইয়ুব বাচ্চু, কনকচাঁপা, জহির আলিমসহ অনেকেই। বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলবে বেলা ২টা পর্যন্ত। চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণের এই বিশাল আয়োজনটি সরাসরি সমপ্রচার করবে চ্যানেল আই ও পশ্চিম বাংলার জনপ্রিয় চ্যানেল রূপসী বাংলা। গতকাল চ্যানেল আই ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ ও চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ এবং সুরের ধারার চেয়ারম্যান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মৌসুমী বড়ুয়ার উপস্থাপনায় সংবাদ সম্মেলনটি সরাসরি সমপ্রচার করবে চ্যানেল আই। সংবাদ সম্মেলনে ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখের বর্ষবরণ প্রতিটি মুহূর্ত যে কোন বাঙালির হৃদয়ে স্থান করে আছে। তিনি বলেন, আমরা বেশ কয়েক বছর ধরে সুরের ধারার সঙ্গে চৈত্রসংক্রান্তি এবং এককভাবে বৈশাখী মেলা করে আসছি। কিন্তু এবার প্রথম আমরা একই সঙ্গে এবং বিশাল আয়োজনে চৈত্রসংক্রান্তির মাধ্যমে ১৪১৮কে বিদায় জানাবো এবং বর্ষবরণের মাধ্যমে ১৪১৯কে স্বাগত জানাবো। ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, যারা হৃদয়ে বাংলাদেশ ধারণ করেন তারা অবশ্যই এই দু’টি আয়োজনে চ্যানেল আই’র সঙ্গে থাকবেন। প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, সুরের ধারা ২০০০ সাল থেকে চৈত্রসংক্রান্তি পালন করে আসছে। আমরা চৈত্রসংক্রান্তি অর্থাৎ বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণকে একই সরল রেখায় দেখি দু’টি প্রান্ত হিসেবে। তিনি বলেন, চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণের মঞ্চে হাজারের বেশি শিল্পী উপস্থিত থাকবেন। সংগীতের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন রবীন্দ্র, নজরুল, লালন, পঞ্চকবি ইত্যাদির সম্মিলন দেখা যাবে এই অনুষ্ঠানে। যা পরিণত হবে শিল্পীদের মিলনমেলায়। রেজওয়ানা চৌধুরী বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলির ইংরেজি পর্বটি ১৯১২ সালে প্রকাশ পায়। সেই হিসেবে গীতাঞ্জলির শতবর্ষ উদযাপন করবো আমরা। থাকবে গীতাঞ্জলি পর্ব। অবশ্য বিশ্বকবি ১৯১০ সাল থেকেই গীতাঞ্জলির গান লেখা শুরু করেন। চ্যানেল আই’র পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটিকে বড় আকারে বরণ করা হবে। উৎসবটি চ্যানেল আই’র মাধ্যমে ৬টি উপমহাদেশের কোটি কোটি বাঙালি সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, বাঙালির মনের ক্ষুধা বাড়ছে। বর্ষবরণের জন্য বড় জায়গার প্রয়োজন বলে আমরা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রকে বেছে নিয়েছি। আমাদের বিশ্বাস অনেকেই অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে পারবেন। চ্যানেল আই ও সুরের ধারার চৈত্রসংক্রান্তি ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে আরও থাকবে বৈশাখী মেলা। সেই সঙ্গে রাজধানীর টিএসসি, শিশুপার্ক, শাহবাগ এবং ঢাকা ক্লাবের সামনে থেকে বর্ষবরণের মুহূর্তগুলোও চ্যানেল আই সরাসরি সমপ্রচার করবে।

Monday

চ্যানেল আই রবীন্দ্র মেলা অনুষ্ঠিত


‘তোমার মাঝে এমনি করে নবীন করে লও হে মোরে’- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই আহ্বানের মধ্য দিয়ে প্রাণের উচ্ছ্বাসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো রবি-চ্যানেল আই রবীন্দ্র মেলা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল চ্যানেল আই নিজস্ব ভবন চত্বরে ৬ষ্ঠবারের মতো আয়োজিত ‘রবীন্দ্রমেলা’য় চ্যানেল আই’র এ আয়োজনের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো যুক্ত হয়েছে শীর্ষস্থানীয় মোবাইল অপারেটর রবি। এবারের মেলায় আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন নিভৃতচারী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী ফাহমিদা খাতুন। গতকাল মেলামঞ্চে ফাহমিদা খাতুনের হাতে আজীবন সম্মাননার উত্তরীয়, ক্রেস্ট, অর্থমূল্য ও চিকিৎসাসেবার সনদপত্র তুলে দেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি., চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও রবি’র চিফ কমার্শিয়াল অফিসার বিদ্যুৎ কুমার বসু। এ সময় মঞ্চে আসেন সুধীন দাস। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সুধীন দাস ও ফাহমিদা খাতুন তিন গুণীশিল্পী পরিবেশন করেন ফাহমিদা খাতুনের ‘ধারাপাত’ ছবিতে গাওয়া গান আমি তোমারও সঙ্গে বেঁধেছি আমারও প্রাণ সুরেরও বাধনে। আজীবন সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি ব্যক্ত করে ফাহমিদা খাতুন বলেন, এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। আমি কৃতজ্ঞ আমার বড় বোন সনজিদা খাতুনের কাছে। যার হাতে আমার গানের হাতেখড়ি। আমি এখনও শিখছি; শেখার মধ্য দিয়েই আমার সময় কাটছে। এ সময় রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবাষির্কী উপলক্ষে প্রকাশিত একমাত্র রবীন্দ্র সংগীতের সিডি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার ‘তোমার খোলা হাওয়া’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অতীতে এ সম্মাননা পেয়েছেন প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কলিম শরাফী, অজিত রায় ও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। মেলা শুরু হয় সকাল ১১.১০ মিনিটে। বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন সুধীন দাস, আতাউর রহমান, এনামুল হক, মাহবুব জামিল, হাশেম খান, আসাদ চৌধুরী, অনুপ ভট্টাচার্য, ড. ফজলুল করিম, সুভাষসিংহ রায়, সালমা আকবর, ড. ফজলুল আলম, আবদুল কাইয়ূম, রাশীদ উন-নবী বাবু, আলতাফ মাহমুদ, অজয় দাশগুপ্ত, সাইফুল আলম, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি., চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, ইমপ্রেস গ্রুপের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য আবদুর রশীদ মজুমদার, জহির উদ্দিন মাহমুদ মামুন, মুকিত মজুমদার বাবু, কেকা ফেরদৌসী, রবি’র চিফ কমার্শিয়াল অফিসার বিদ্যুৎ কুমার বসু প্রমুখ। এ সময় সুরের ধারার শিল্পীদের হে নূতন দেখাদিক আর বার জন্মেরও প্রথমও উদয়ও দিগন্তে...পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী মেলার শুভসূচনা হয়। মেলায় দিনব্যাপী খোলা মঞ্চ থেকে পরিবেশিত হয় নবীন-প্রবীণ শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্র সংগীত, রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য, শিশুনৃত্য, আবৃত্তি পাঠ, রবীন্দ্র স্মৃতিচারণ ইত্যাদি। মেলায় কবিগুরুর চিত্রকর্ম অঙ্কন করেন- চিত্রশিল্পী হাশেম খান, সমরজিৎ রায়, শহীদ কবির, বীরেন সোম, শাকুর শাহ, রনজিৎ দাস, মনিরুজ্জামান, খালিদ মাহমুদ মিঠু, প্রতাব হাজরা, জহির উদ্দিন, জামিল আকবর সামিল, সৈয়দ জাহিদ ইকবাল ও ফারজানা আহমেদ উরমী। মেলায় ক্ষুদ্র ও কুঠিরশিল্পের স্টল ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ২০টি স্টলে দিনব্যাপী প্রদর্শিত হয় রবীন্দ্র গ্রন্থ, রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে লিখিত গ্রন্থ, রবীন্দ্র চিত্রকলা ও রবীন্দ্র সংগীতের রেকর্ড কাভারের প্রদর্শনী, রবীন্দ্র পোশাক, রবীন্দ্রনাথ সংক্রান্ত ভিডিও সিডি, রবীন্দ্র সংগীতের গানের স্টল, রবীন্দ্র চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ঠাকুর বাড়ির রূপসজ্জা ইত্যাদি। মেলায় আগত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় কেকা ফেরদৌসীর রান্নাঘর থেকে রবীন্দ্রনাথের প্রিয় খাবার এবং পান-সুপারির পান দিয়ে। রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চারটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। ‘শাস্তি’, ‘সুভা’, ‘কাবুলিওয়ালা’ ও ‘অবুঝ বউ’ ছবির পোস্টার এবং ফটো সেট নিয়ে সাজানো স্টলে দিনভর আড্ডা মারেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব আবদুল লতিফ বাচ্চু, চাষী নজরুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, সৈয়দ সালাহউদ্দিন জাকি, আব্দুস সামাদ খোকন এবং পরিচালক সমিতির সভাপতি মহম্মদ হান্‌নান। মেলাটি পরিচালনা করেন আমীরুল ইসলাম ও শহীদুল আলম সাচ্চু। ‘তুমি কেমন করে গান কর হে গুণী, আমি অবাক হয়ে শুনি কেবল শুনি’ গানের মধ্য দিয়ে মেলার সমাপ্তি টানা হয়।

Wednesday

৫০তম পর্বে ছায়া ঝংকার


চলচ্চিত্রবিষয়ক সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান 'ছায়া ঝংকার' ২১ এপ্রিল পদার্পণ করছে ৫০তম পর্বে। এ পর্বটি সাজানো হয়েছে বিশেষভাবে। পাঁচভাগে বিভক্ত অনুষ্ঠানটির এ পর্বে থাকবে- এভারগ্রিন সেগমেন্টে- মাসুদ রানা ছবির গান 'মনেরই রঙে রাঙাবো...', রিমিক্স সেগমেন্টে- রংবাজ ছায়াছবির গান 'হৈ হৈ রঙিলা রঙ্গীলারে...', রিসেন্ট ফ্রেশে- মনের জ্বালা ছবির একটি গান ও ফিল্মিস টক সেগমেন্টে- মনের জ্বালা ছবির অংশ বিশেষ, জাস্ট রিকোয়েস্টে থাকবে- কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি ছবির গান 'এক বৈশাখে লেখা প্রেমের চিঠি...'। এ পর্বের দ্বিতীয় গান থাকবে আমার প্রাণের প্রিয়া ছবির গান 'চাই না মেয়ে তুমি অন্য কারো হও...'। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছেন পারভীন সুলতানা দিতি। শাওন আশরাফের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা ও পরিচালনা করছেন মৃণাল কান্তি দাস। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায়। অনুষ্ঠানটি প্রচার হচ্ছে বোটানিক এ্যারোমার সৌজন্যে।

আজ থেকে নতুন ধারাবাহিক ‘ছয় যুবকের সংসার’

চ্যানেল আই’তে শুরু হচ্ছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘ছয় যুবকের সংসার’ রচনা মাহবুবা শাহরীন এবং পরিচালনা করেছেন সুকুমার চন্দ্র দাশ এ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন ডি এ তায়েব, আজিজুল হাকিম, নাদের চৌধুরী, সোহেল খান, সিদ্দিকুর রহমান, নাফিজা জাহান, লারা লোটাস, নূপুর, শ্রেয়া, সামিয়া ইসলাম, কাজল, শাহরুজ্জামান, আবদুস ছাত্তার, নাজমুল হুদা বাচ্চু, মিনু মমতাজ, আশরাফ কবীর, আরিফ আকাশ, সজীব, দেলোয়ার, মাহফুজ প্রমুখ ধারাবাহিকটি প্রচার হবে আজ থেকে প্রতি বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ধারাবাহিকের গল্পে দেখা যাবে, ঢাকা শহরের অভিজাত এলাকায় ছয় যুবক বিদেশে লোক পাঠানোর জন্য একটি অফিস ভাড়া নেয় বিদেশে লোক পাঠানোর কথা বলে গ্রামের সহজ লোকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় তারা ইতিমধ্যে একটি বাসাও তারা ভাড়া নেয় বাড়িওয়ালা ছয় যুবককে কি করে জানতে চাইলে উত্তরে কেউ বড় ব্যবসায়ী, কেউ চাকরিজীবী বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা কথা বাড়িয়ে বলে বাড়িওয়ালার দুই মেয়ে ছাদে ঘুরতে গেলে ছয় যুবক তাদের পিছু নেয় ছয়জনের মধ্যে একজনের বয়স ৭০, কিন্তু নিজেকে ২৫ বছরের যুবক বলে দাবি করে বিষয়টা বাড়িওয়ালার বড় ছেলে জানতে পেরে যুবকদের শাসায় এবং ভবিষ্যতে তার বোনদের পিছু নিতে বারণ করে ছয় যুবকের এক যুবক অরুপের প্রেমে পড়ে বাড়িওয়ালার দুই মেয়ে বেলী ও চামেলী বিষয়টা অন্য যুবকরা জানতে পেরে অরুপকে পুলিশে ধরিয়ে দিবে বলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ছয় যুবকের বিভিন্ন অপকর্ম মহল্লার মাস্তান ও পুলিশ প্রশাসন জেনে গেলে তখন তারা অফিস এবং বাড়ি ছেড়ে পার্কে আশ্রয় নেয়